অন্ধ ভূমিগর্ভ হতে নিতাম যখণ শ্বাস ,
চুপি-চুপি শুনেছি
মায়ের কাছে-
হতে হবে তোমায়
বাংলার দামাল যেমন,কালিদাশ।
৪মে জন্ম নিয়ে
শুনেছি দাদীর কান্না,
হয়েছে একটি মেয়ে
তাও পেত্নীর মত কালা।
তাইনা দেখে
দাদীযে আমার ঘর ছেড়ে যায় দুঃখে।
প্রসবের পর
অসুস্থ জননী দাড়াল তখন রূখে।
বলে-ও আমার বুকের
মণি,আমি এখন বলি-
চাইনা আমি সাদা
ইংরেজ, চাই কালো বাঙালী।
চারটি বছর
ধুকেধুকে শিখি বসতে,দাড়াতে,হাটতে
শিখি বড়াল নামটি
লিখতে আমি।
হঠাৎ একদিন শুনি
বাবার মুখের একটি বাণী
যা,আজও পারিনা
ভুলতে।
সূ্র্য্টিকে গিলে
ফেলেছে বুনো রাক্ষসটিতে।
গায়রে কাঁটা শিয়রে
উঠে,জাপটে ধরি মাকে।
মা,,,, হারিয়ে
গেল দামাল ছেলেটি ভালবাসি আমি যাকে।
আমি সিরাজকে
দেখিনি, কাসিমকে দেখিনি,
দেখিনি তোমায়
“মুজিবুর রহমান”।
দেখতে চেয়েছি
বড়াল তোমায়, তুমিও দিলে জান।
ভয় নেই মুজিবের
মত তুমিও থাকবে হয়ে চির অম্লান।
জানি, আগষ্ট মানে
চেতনার কবি,আগষ্ট মানে রক্তের নদী
আগষ্ট মানে
হিংস্র জন্তুর খাওয়ার দাবি।
আগষ্ট মানে
ইতিহাসের পাতায়া অঙ্কিত কিছু সোনালী ছাবি।
হঠাৎ বলল মা- ধরে
রাখ একটি বানী,
কর একটি শপথ তুমি
।
ভুলবেনা কখনো
তাকে যে,বুকের রক্ত ঢেলে
করেছে রঙিন সাধনার ভুমি।
চাও প্রতিশোধ, চাও ধংস সেসবের
যেসব লুকিয়ে আছে খুনি।
অতপর, আমি শপথ নিলাম-
মা, আমি সেইদিন হব শাণ্ত, যেদিন বড়াল খুনিদের
কালো রক্তে রণ্জিত হবে ফাঁসির মঞ্চ |
No comments:
Post a Comment