Tuesday, July 17, 2018

"তোমার জন্য জায়গা আছে"



তুমি কখনো চাঁদ সূর্যের সমন্ময় দেখেছো?
দেখেছো তাঁদের উদয় অস্তের মিলনভূমি?
জানিতো দেখনি কারন ব্যস্ত তুমি......।
আচ্ছা তোমার পৃথিবীর উপাদান কি?
বলি....?
একটা সুবিশাল ফ্লাটে চারটে প্রানি,
একটা অফিস আর একটা গাড়ি।
ধর তুমিই তোমার শহরের রাজধানী।
যার হয়তো অনেক কাগজি নোট আছে পকেটে,হাতে।
লাভ কি তাতে ?
তোমার তুমিতে তুমি বলেতো কছু নেই,
আছে একটা নির্বোধ আর অজ্ঞ প্র্রানী।

প্রশ্ন জাগছে মনে ?
কেন তুমিও যা জান, আমিও তাই জানি?
আমি বলব না।
তুমি জেনেছ মুখস্ত করে,
আর আমি জেনেছি মুখোমুখী হয়ে।

তোমার আমার পর্থক্য জানবে?
কালো কাক সে তো তুমিও দেখো, আমিও দেখি।
কিন্তু তামাটে কাক ?
দেখনিতো জানি, শুনেছো কি এমন কোন পাখি ?
তুমি যখন তীব্র নিদ্রায় কোন বেকার ছেলের গরীব বাবার কাছে,
 চাকরির দামে কগজি নোটের হিসাব নিচ্ছ।
আমি তখন তামাটে পাখনার দূর্লভ কাকের সাক্ষাতে ব্যস্ত।
রহস্য কি তাঁর?
এই নিষ্ঠুর শহরের তীব্র সূর্যত্ত্বাপে তার মৌলিক রং ঝলসে গেছে?
নাকি চাঁদ-সূর্যের এই মিলন দিগন্তে
ভেসে বেড়ানো তামাটেমেঘগুলো পাখায় জড়িয়ে
কাক সাম্রাজ্যের নেতৃত্ব চাইছে?

আমি জানিনা,
তবে আগামী কোন ভোরে তাঁর সাক্ষাতের অপেক্ষা গুনব,
এ রহস্যের সমাধানে.....।

লাভ নেই বন্ধু, তুমি আগামী দেড়শো বছর বেঁচেও,
এ কাকের সন্ধান পাবে না।
সে অধিকার তোমার নেই।
তুমি চাইলে তোমার কাগজি নোট ছড়িয়ে,
আরো এক ডজন সুন্দরী বউ পেতে পারো।
আমার চোখের জলের প্রত্যক্ষ দর্শীর সাক্ষাত নয়।

হ্যাঁ আমি দুঃখী, তাইত তুমি হীন আমি ধনী।
আমার ইচ্ছে আছে,কান্না আছে,চেতনা আছে,হাহাকার আছে।
নেই পেটে ভাত, রাতে ঘুম আর কালকের বাস ভাড়াটা।
যা নিদ্রামুক্ত করেছে মহারাত্রিতে এ নিস্তেজ দেহটা।

 ভোরের প্রথম আজান ধ্বনি আমাকে এনে ফেলে
নিচ তালা থেকে পাঁচ তালার ছাদে,
এসেছিল পাখিটি আমার জিজ্ঞাসু চোখে
বয়ে চলা জলকে খনিকের জন্য ঠেকাতে।
এরকম হাজারও অভিজ্ঞতা
আমার চোখ থেকে মগজে স্থান নিয়েছে।
আর মগজের সে অশাব্দিক ভাষাগুলোকে
কলমের কালিতে প্রান দিচ্ছি আমার এ চিঠিতে।

লাভ কি তোমায় প্রকৃতির এ রং ধনুতে রাঙিয়ে ?
তুমিতো সর্বভোলা।
তুমি তোমার আদর্শের ভুবন শৈশব ভুলেছো।
ইট পাথরের কৃত্রিম শহড়ে মায়ের ভালবাসাকে বিসর্জন দিয়েছো।
স্বার্থদোষী সু্ন্দরী বৌউয়ের বর্বরতায় আপন ব্যক্তিত্ব হারিয়েছো।

এতো সম্পত্তির মালিক হলে চাকরি যবে।
সব রেখেছো  স্ত্রী-পুত্রের হাতে।
যদি তোমাকে কোনদিন তোমার পৃথিবী ছাড়তে হয়,
এই অপরাধে ?
তবে আমাকে স্মরিও বন্ধু-
আমার সম্পত্তি নেই,
আছে একখানি সম্পদ-"আমার ছেলে"
তাকেই পাঠাব তোমাকে আলিঙ্গন করতে।
আমার তৈরী পথশিশুদের আদর্শশালা আর বৃদ্ধাশ্রমে এসো,
তোমার জন্য জায়গা আছে।


Thursday, July 12, 2018

Global Friend


বই হল জ্ঞানের ভান্ডার,
তাইত বই পড়বো বারবার।
বই হল মানুষের বন্ধু,
আমাদের জ্ঞানের সিন্ধু।
বইকে মোরা বাসবো ভালো ,
তবেই হবে জীবন আলো।

বই হল জ্ঞানের ভান্ডার,
জীবন থেকে মুছে দেয় আধাঁর।
মোরা সুন্দর জীবন গড়ি ,
বইয়ের কারনে।
বই পুরনো ইতিহাস ,
এনে দেয় স্মরনে। 
৫২,৬৯,৭১ সবই আছে,
বই নামক জ্ঞানের মাঝে।

যদি জীবন গড়তে চাও,
মানুষ হতে চাও।
তবে বইকে কেড়ে নাও।
একটি কথা রাখ করে স্মরনে,
বইয়ের প্রান- 'জ্ঞান'ই হবে উত্তম সাথী
তোমার জীবনে ।।।

আইসক্রিম



সাল ২০১২, স্কুল টাইমের কোন এক মুহূর্তে রাস্তায় ছুটে আসা আইসক্রিম খেতে।
বিক্রেতা : ২, ৩ ও ৫ টাকার আইসক্রিম আছে, কোনটা নেবেন ?
ক্রেতা    : ৫ টাকার ৩টি আইসক্রিম দেন।
বিক্রেতা : ৩ টাকার ৩টি আইসক্রিম বের করে - নেন ।
ক্রেতা    : সন্দেহের বসে বললাম- ৩ টাকার টা দেখান তো।
বিক্রেতা : সাবলিল ভঙ্গিতে তিনি ২ টাকার আইসক্রম তুলে ধরলেন।
ক্রেত     : আচ্ছা, ২ টাকারটা বের করেন ।
বিক্রেতা : কেন ?
ক্রতা      : নেব ।
বিক্রেতা : এই গুলো ই ভালো, এর মধ্যে থেকেই নেন। চোখ দিয়ে অবশ্য বলছে যে , নেবে দুইটা আইসক্রিম তার কতো ঢং !!!
বিক্রেতা : যা হোক ২ টাকার আইসক্রম তিনি এখন কোথায় পাবেন ? এখন বাধ্য হয়ে ২ টাকা হিসেবে ৫ টাকার    আইসক্রিম  বের করলেন।
ক্রেতা     :ইতোমধ্যে তার কয়েকজন সহপাঠী আইসক্রিম খেতে আসলে ,সে সবার জন্য মোট ৭ টা আইসক্রিম নেয়।
               (৭*২=১৪) মামা , ১৫ টাকা রাখেন , আপনার দুই টাকার আইসক্রিম ই আমার পছন্দ হয়েছে।
বিক্রেতা :১টাকার ১টা কয়েন ফেরত দিয়ে বলে ,১ টাহা বেশী দিয়ে যাওয়া লাগবেনা। আমার চেয়ে বেশী বোঝে!

আমরা ফিরে গিয়ে ৩৫ টাকাই দিলাম আর তার নিঃশব্দ গ্রহনে খুঁজে পেলাম আত্মশোধনের নীরব শপথ।

Sunday, July 8, 2018

"Civilization"

সভ্যতা শব্দটি ইংরেজি Civilization শব্দটি থেকে এসেছে যার ল্যাটিন অংশ Civis এর অর্থ নগরে বসবাসরত ব্যক্তি। এর কারন হল, যখন কোন স্থানের মানুষ সভ্য হয়, তখন তারা কোন ছোট গোত্র বা যৌথ পরিবারের মত দলে নয় বরং নগরীর মত একটি বৃহৎ সুগঠিত আকারের দলে বসবাস করে। সভ্যতার অনস্বীকার্য গুরুত্বপূর্ন উপাদান মানুষ।
সৃষ্টির প্রথম প্রহরে এই মানুষ গুহায় বা জঙ্গলে বিশৃঙ্খল জীবন-যাপন করত। ধীরে ধীরে মানুষ তার প্রয়োজনেই সংঘবদ্ধ জীবনের প্রয়োজনীয়তা অনুভবের ফলে সভ্যতার শুভ সূচনা করে জন্ম হয় সমাজের। এই সংঘবদ্ধ জীবনে মানুষের আচার-আচরন, চিন্তা-ভাবনা, প্রত্যাশা-প্রাপ্তি প্রভৃতি কার্যকলাপের ফলে সৃষ্ট জটিলতা ও তা সমাধানের প্রচেষ্টায় পর্যায়ক্রমে উদ্ভাবন হতে থাকে নতুনত্বের। বস্তুত মানুষের সাংগঠনিক বসবাসের ক্রমোন্নতির বিভিন্ন পর্যায়ই হল সভ্যতার বিভিন্ন ধাপ। যেমন, গ্রিক সভ্যতা, রোমান সভ্যতা, মেসোপটেমিয়ো সভ্যতা ইত্যাদি।
             সর্বোপরি, মানুষ ও তার কার্যকলাপকে ঘিরে প্রচলিত আইন, সংস্কৃতি, জীবন ব্যবস্থা ও আত্মরক্ষার নিজস্ব পদ্ধতির সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাই সভ্যতা।

Wednesday, July 4, 2018

Earn


"অপরের জন্য কিছু করতে পারাটাই জীবনের প্রকৃত সংগ্রহ"

প্রিয় আরিয়ান

প্রিয় আরিয়ান, তোমার লিখতে শেখার প্রতিক্ষায় আমি, একটি ডায়েরি দেবো বলে। সুখেও আমার কান্না ঝরে, তোমায় ভালবেসে। একুশ শতকের আজক...