তুমি কখনো চাঁদ সূর্যের সমন্ময় দেখেছো?
দেখেছো তাঁদের উদয় অস্তের মিলনভূমি?
জানিতো দেখনি কারন ব্যস্ত তুমি......।
আচ্ছা তোমার পৃথিবীর উপাদান কি?
বলি....?
একটা সুবিশাল ফ্লাটে চারটে প্রানি,
একটা অফিস আর একটা গাড়ি।
ধর তুমিই তোমার শহরের রাজধানী।
যার হয়তো অনেক কাগজি নোট আছে পকেটে,হাতে।
লাভ কি তাতে ?
তোমার তুমিতে তুমি বলেতো কছু নেই,
আছে একটা নির্বোধ আর অজ্ঞ প্র্রানী।
প্রশ্ন জাগছে মনে ?
কেন তুমিও যা জান, আমিও তাই জানি?
কেন তুমিও যা জান, আমিও তাই জানি?
আমি বলব না।
তুমি জেনেছ মুখস্ত করে,
আর আমি জেনেছি মুখোমুখী হয়ে।
আর আমি জেনেছি মুখোমুখী হয়ে।
তোমার আমার পর্থক্য জানবে?
কালো কাক সে তো তুমিও দেখো, আমিও দেখি।
কিন্তু তামাটে কাক ?
দেখনিতো জানি, শুনেছো কি এমন কোন পাখি ?
দেখনিতো জানি, শুনেছো কি এমন কোন পাখি ?
তুমি যখন তীব্র নিদ্রায় কোন বেকার ছেলের গরীব বাবার কাছে,
চাকরির দামে কগজি নোটের হিসাব নিচ্ছ।
আমি তখন তামাটে পাখনার দূর্লভ কাকের সাক্ষাতে ব্যস্ত।
রহস্য কি তাঁর?
এই নিষ্ঠুর শহরের তীব্র সূর্যত্ত্বাপে তার মৌলিক রং ঝলসে গেছে?
নাকি চাঁদ-সূর্যের এই মিলন দিগন্তে
ভেসে বেড়ানো তামাটেমেঘগুলো পাখায় জড়িয়ে
কাক সাম্রাজ্যের নেতৃত্ব চাইছে?
ভেসে বেড়ানো তামাটেমেঘগুলো পাখায় জড়িয়ে
কাক সাম্রাজ্যের নেতৃত্ব চাইছে?
আমি জানিনা,
তবে আগামী কোন ভোরে তাঁর সাক্ষাতের অপেক্ষা গুনব,
তবে আগামী কোন ভোরে তাঁর সাক্ষাতের অপেক্ষা গুনব,
এ রহস্যের সমাধানে.....।
লাভ নেই বন্ধু, তুমি আগামী দেড়শো বছর বেঁচেও,
এ কাকের সন্ধান পাবে না।
এ কাকের সন্ধান পাবে না।
সে অধিকার তোমার নেই।
তুমি চাইলে তোমার কাগজি নোট ছড়িয়ে,
আরো এক ডজন সুন্দরী বউ পেতে পারো।
আরো এক ডজন সুন্দরী বউ পেতে পারো।
আমার চোখের জলের প্রত্যক্ষ দর্শীর সাক্ষাত নয়।
হ্যাঁ আমি দুঃখী, তাইত তুমি হীন আমি ধনী।
আমার ইচ্ছে আছে,কান্না আছে,চেতনা আছে,হাহাকার আছে।
নেই পেটে ভাত, রাতে ঘুম আর কালকের বাস ভাড়াটা।
যা নিদ্রামুক্ত করেছে মহারাত্রিতে এ নিস্তেজ দেহটা।
ভোরের প্রথম আজান ধ্বনি আমাকে এনে ফেলে
নিচ তালা থেকে পাঁচ তালার ছাদে,
নিচ তালা থেকে পাঁচ তালার ছাদে,
এসেছিল পাখিটি আমার জিজ্ঞাসু চোখে
বয়ে চলা জলকে খনিকের জন্য ঠেকাতে।
বয়ে চলা জলকে খনিকের জন্য ঠেকাতে।
এরকম হাজারও অভিজ্ঞতা
আমার চোখ থেকে মগজে স্থান নিয়েছে।
আমার চোখ থেকে মগজে স্থান নিয়েছে।
আর মগজের সে অশাব্দিক ভাষাগুলোকে
কলমের কালিতে প্রান দিচ্ছি আমার এ চিঠিতে।
কলমের কালিতে প্রান দিচ্ছি আমার এ চিঠিতে।
লাভ কি তোমায় প্রকৃতির এ রং ধনুতে রাঙিয়ে ?
তুমিতো সর্বভোলা।
তুমি তোমার আদর্শের ভুবন শৈশব ভুলেছো।
ইট পাথরের কৃত্রিম শহড়ে মায়ের ভালবাসাকে বিসর্জন দিয়েছো।
স্বার্থদোষী সু্ন্দরী বৌউয়ের বর্বরতায় আপন ব্যক্তিত্ব হারিয়েছো।
এতো সম্পত্তির মালিক হলে চাকরি যবে।
সব রেখেছো স্ত্রী-পুত্রের হাতে।
সব রেখেছো স্ত্রী-পুত্রের হাতে।
যদি তোমাকে কোনদিন তোমার পৃথিবী ছাড়তে হয়,
এই অপরাধে ?
এই অপরাধে ?
তবে আমাকে স্মরিও বন্ধু-
আমার সম্পত্তি নেই,
আছে একখানি সম্পদ-"আমার ছেলে"
আছে একখানি সম্পদ-"আমার ছেলে"
তাকেই পাঠাব তোমাকে আলিঙ্গন করতে।
আমার তৈরী পথশিশুদের আদর্শশালা আর বৃদ্ধাশ্রমে এসো,
তোমার জন্য জায়গা আছে।
